অফিসের বর্ণনা

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ১৯৮৫ সালের একটি স্মারক বলে হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় স্থাপিত হয়। পূর্বে এটি এজি অফিস (সিভিল) নামে পরিচিত ছিল। ব্রিটিশ আমলে ১৯৪৭ সালে স্থাপিত, “অফিস অফ দ্য অ্যাকাউন্টস জেনারেল” হল এর মূল ভিত্তি। সিজিএ অফিস গঠনের ফলে বাংলাদেশের সরকারি হিসাব ব্যবস্থা বিভাগীয়করনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।  সিজিএ অফিস মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক স্বাধীনভাবে অর্থ বিভাগের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রনে কাজ করে যার জন্য সিজিএ অফিস এককভাবে দায়বদ্ধ। এটি বাংলাদেশ সরকারের মাসিক হিসাব, অর্থ অনুমোদন ও অ্যাকাউন্ট তৈরি করে এবং সকল সিভিল অফিসার, সরকারী সংস্থার দাবির দায় পরিশোধ এবং নিজ নিজ অফিসগুলোর প্রাথমিক হিসাব প্রস্তুত করার জন্য প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়, বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় এবং উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ের  কাজ তত্ত্বাবধান করে। এর প্রেক্ষিতে-

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ১৯৯৭ সালে ২ ডিসেম্বর তৎকালীন সরকারের একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। চুক্তির শর্তানুযায়ী ১৯৯৮ সালের ১৫ জুলাই পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়। উক্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত অফিস সমূহের কর্মকর্তা / কর্মচারী বেতন বিল নিষ্পত্তি পরবর্তী মাসের ১ম কর্মদিবসের মধ্যে, জিপিএফ অগ্রিম/চূড়ান্ত পরিশোধ, গৃহনির্মান সহ অন্যান্য অগ্রিম ও ভ্রমন ভাতা বিল নিষ্পিত্ত,এল পি সি, জিপিএফ ব্যালেন্স স্থানাত্তর ও পে-স্লিপ ইস্যু, অনুদান, ঋণ ও অগ্রিম এবং বিভিন্ন আর্থিক মঞ্জরীপত্রের বিপরীতে অথরিটি ইস্যু ও পৃষ্ঠাংকন,সরবরাহ ও সেবা, জ্বালানি, মেরামত ও সংরক্ষণ, সম্পদ সংগ্রহ ইত্যাদি খাত সহ উন্নয়ন খাতের বিল নিষ্পত্তি,বেতন নির্ধারণ, সার্ভিস বহি ও পেনশন নিষ্পত্তি,জিপিএফ একাউন্ট স্লিপ ইস্যু,বিবিধ আয়,ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে ও অন্যান্য প্রাপ্তি সমূহের হিসাব,মন্ত্রণালয়ের মাসিক হিসাব, বার্ষিক উপযোজন হিসাব প্রণয়ন প্রভৃতি কাজের জন্য ০১/০৭/২০০২ খ্রিঃ তারিখে সিএএফও, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।